ঢাকা , রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গাসিক নির্বাচনঃ তৃণমূলের রাজনীতি নাকি কৌশল?

  • সম্পাদকীয়
  • Update Time : ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩
  • ১২১১ Time View

রাজনীতিতে শেষ বলতে কিছু নেই। নতুন করে সব শুরু করতে হয়। যার প্রমাণ জাহাঙ্গীর আলম ও তার মা জায়েদা খাতুন।

নৌকার পক্ষে অনেকে ছিলেন, থাকবেন। তবে অন্তরে নৌকার প্রার্থী হিসেবে কয়জনে ছিলেন। শুরু থেকেই অনেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। যদিও তাদের কষ্টের ফলাফল তারা ছিনিয়ে আনতে পারে নি। শুধু কি তৃণমূলকে অবমূল্যায়ন করার ফল এই গাসিক নির্বাচনের ফলাফল।

দেখুন, যারা জায়েদা খাতুনের পাশে তথা জাহাঙ্গীর আলমের পাশে শুরু থেকে ছিলেন তারাই প্রকৃত কর্মী ও নেতা। জাহাঙ্গীরের বিপদের সময় তারা তাকে ছেড়ে যায় নি। বরং আগলে রেখে নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে এনে তৃণমূলের রাজনীতিকে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো, যোগ্য ব্যক্তিকে জনগণ চাইলে তা প্রতিহত করার ক্ষমতা কারোও নেই।

একটা ভিডিওতে দেখেছিলাম, নির্বাচনে প্রচারের সময় জাহাঙ্গীর ও তার মা জায়েদা খাতুনের গাড়ি ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে, নির্বাচনে প্রচারে যাওয়া কর্মীরা গাড়িকে নিজেদের শরীর দিয়ে নিরাপত্তা দিয়ে এলাকা থেকে বের করে এনেছেন। অনেকে মাথা ও শরীর দিয়ে রক্ত পড়ছিলো, তবুও তারা নেতার জীবন নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত ছিলো। এমন কর্মী বর্তমানে পাওয়া সত্যিই দূর্লভ। লোভী নেতাগুলো নিজেদেরকে বাঁচাতে ব্যস্ত, তারা কেমনে আবার নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনবে।

জানা মতে, আজমত উল্ল্যাহ সাহেব কোনো প্রচারণায় গিয়ে হেনস্তা হোন নি। এতো সস্তা জনপ্রিয়তায় গা হেলিয়ে দেয়াটাই কি পরাজয়ের মূল কারণ নাকি?

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, নৌকা ও ঘড়ি ছাড়াও আরও প্রার্থীরা প্রায় ৬০ হাজার+ ভোট টানতে সক্ষম হয়েছেন। তাহলে এই ভোটগুলো যদি নৌকাতে থাকতো তবে ফলাফল অবশ্যই পরিবর্তন হতো। সাধারণ মানুষ রাজনীতি কম বুঝে। তাদের আবেগ বেশি। তাদের আবেগ নিয়ে যারা খেলতে পারবে, তারাই তাদের ভোট পাবে৷

সময় হয়েছে, নিজেদেরকে সংযত করার। রাজনৈতিক বিদ্বেষে নিজ ভাইয়ের শরীরে আঘাত করার পূর্বে মনে রাখার দরকার, আপনি আশরাফুল মাখলুকাত। অথচ আপনি সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে অহংকার ও ক্ষমতার দাপটে জাত ভাইদের পরাস্থ করতে মাথা ফাটিয়ে ভাই/বোনদের রক্ত দেখে বুনো উল্লাস করেন। আপনি বা আপনাদের তখনকার কাপুরুষোচিত আচরণও রাজনৈতিক ফলাফল পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।

জাহাঙ্গীর আলম তার মূল খেলা তার মা জায়েদা খাতুনকে দিয়ে খেলেছেন। শীর্ষ স্থানীয় কিছু চ্যানেল সারাক্ষণ জাহাঙ্গীর আলমের বদনাম গাইতে গাইতে শেষ। ধরলাম সে খারাপ, তাহলে দায়িত্ব পালনের সময় এগুলো মাইক লাগিয়ে কেনো বলেন নাই? আপনাদের সাহস শুধু দূর্বলদের সাথেই। সৎ সাহস থাকলে তো সারাক্ষণই সত্য বলা যায়। যে সব চ্যানেল টাকার বিনিময়ে সারাক্ষণ খারাপ নিউজগুলো প্রচার করতো, তারাই দেখবেন এখন ভালো সংবাদ প্রচারে উঠে পড়ে লাগবে। এমনকি কিছু নামধারী সাংবাদিকও জাহাঙ্গীর আলমের গুণগান গাইতে শুরু করবে।

পদ থেকে বহিষ্কার, দল থেকে বহিষ্কার, স্ত্রী কর্তৃক তালাক, দূর্ণীতির কথা বলে লোকটাকে হেনস্তা, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও কর্মীদের আক্রোশের স্বীকার অতঃপর একলা চলা নীতিতেই অটল থাকা লোকটির বিজয়ের শেষ হাসি।

নির্বাচনে জিততে হলে দলীয় প্রতীক নয়, কৌশলী হতে হয়। যা নৌকা পারে নি, ঘড়ি পেরেছেন৷ এড. আজমত উল্ল্যাহ খান সাহেব খারাপ নয়, তা এক বাক্যে সকলেই স্বীকার করবেন। তবে তার কর্মী (সবাই না, গুটি কয়েকজন) মানুষদেরকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ণ না করার ফল নির্বাচনে টের পেয়েছেন আওয়ামীলীগ। এখনও সময় আছে, তৃণমূলের ত্যাগী নেতাদের বের করে তাদেরকে কমিটিতে রাখুন৷ নয়তো চিরতরে হারিয়ে যাবে ঐতিহ্যবাহী দলটি।

রাজনীতিতে আপন বলতে কিছু নাই।জীবনের শেষ সময়ে দলের লোকগুলোর বিশ্বাসঘাতকতায় হয়তো এড. আজমত উল্ল্যাহ খান হেরেছেন, তবে মনে রাখবেন, এক পক্ষীয় কোন কিছুই ভালো না।

এড. আজমত উল্লাহ খান, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও গাজীপুরের প্রবীন রাজনীতিবিদ। তিনি যখন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত, তখন অনেকের জন্ম হয় নি। তার বক্তৃতা দেয়া ও কথা বলার প্রেমে পড়েন নাই, এমন লোক খুবই কম। ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন লোকটিকে টেনে হিঁচড়ে যারা ছুড়ে ফেলেছে, তারা কিন্তু দলেরই লোক।

গাসিক নির্বাচন, আওয়ামী লীগের জন্য অশনী সংকেত। কেননা নৌকা পেলেই যারা ভাবে তারা জয়ী। তারা এবার ঘুমান। কেননা নৌকার পক্ষে থেকেও মীরজাফর, খন্দকার মোস্তাক কিংবা মেজর ডালিমের মতো ওৎ পেতে থাকা একাধিক দুষ্টু লোক দলে অবস্থান করে দলকে ক্ষতি করার জন্যই বসে আছে।

গতকালকের নির্বাচনে ইতিবাচক দিক হলো, নির্বাচনে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটে নি। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হয়েছে। যদিও ফল প্রকাশে ইসি কিছুটা বিলম্ব করেছে। এতে করে নিজেদের কাজে নিজেরাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন ইসি।

এড. আজমত উল্লাহ খানের প্রতি এতো ক্ষোভ কেন ছিলো স্থানীয়দের। কেননা তিনি হয়তো অন্যায়ের বিপক্ষে আপোষহীন একজন সৈনিক ছিলেন এবং থাকবেন। তাই অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেয়ায় তার দলের লোকরাই অনেকে তার থেকে সুবিধা নিতে পারতো না। সেই লোকগুলোই সুযোগ বুঝে তাকে ঘায়েল করেছেন।

আমার মতে হাজার হাজার যোজন-বিয়োজন দূরে আজমত-জায়েদা খাতুন। ছেলেকে খুশী করতে মা হিসেবে পাশে থেকে সঙ্গ দেয়া এক কালজয়ী নারী হিসেবে তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে কিভাবে মনোবল অটুট রেখে একাগ্রতা মনোভাব রেখে কাজ করে যেতে হয়, তা করে দেখিয়েছেন মা ও ছেলে।

দিন শেষে আফসোস, এড. আজমত উল্লাহ খান নৌকা পেয়েও দলীয় লোকের প্রতারণা, অর্থ ও দাম্ভিকতায় হেরে গেলেন।তবুও দিন শেষে তার জন্য শ্রদ্ধা।

Facebook Comments Box
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

RAFIU HASAN

গাসিক নির্বাচনঃ তৃণমূলের রাজনীতি নাকি কৌশল?

Update Time : ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

রাজনীতিতে শেষ বলতে কিছু নেই। নতুন করে সব শুরু করতে হয়। যার প্রমাণ জাহাঙ্গীর আলম ও তার মা জায়েদা খাতুন।

নৌকার পক্ষে অনেকে ছিলেন, থাকবেন। তবে অন্তরে নৌকার প্রার্থী হিসেবে কয়জনে ছিলেন। শুরু থেকেই অনেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। যদিও তাদের কষ্টের ফলাফল তারা ছিনিয়ে আনতে পারে নি। শুধু কি তৃণমূলকে অবমূল্যায়ন করার ফল এই গাসিক নির্বাচনের ফলাফল।

দেখুন, যারা জায়েদা খাতুনের পাশে তথা জাহাঙ্গীর আলমের পাশে শুরু থেকে ছিলেন তারাই প্রকৃত কর্মী ও নেতা। জাহাঙ্গীরের বিপদের সময় তারা তাকে ছেড়ে যায় নি। বরং আগলে রেখে নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে এনে তৃণমূলের রাজনীতিকে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো, যোগ্য ব্যক্তিকে জনগণ চাইলে তা প্রতিহত করার ক্ষমতা কারোও নেই।

একটা ভিডিওতে দেখেছিলাম, নির্বাচনে প্রচারের সময় জাহাঙ্গীর ও তার মা জায়েদা খাতুনের গাড়ি ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে, নির্বাচনে প্রচারে যাওয়া কর্মীরা গাড়িকে নিজেদের শরীর দিয়ে নিরাপত্তা দিয়ে এলাকা থেকে বের করে এনেছেন। অনেকে মাথা ও শরীর দিয়ে রক্ত পড়ছিলো, তবুও তারা নেতার জীবন নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত ছিলো। এমন কর্মী বর্তমানে পাওয়া সত্যিই দূর্লভ। লোভী নেতাগুলো নিজেদেরকে বাঁচাতে ব্যস্ত, তারা কেমনে আবার নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনবে।

জানা মতে, আজমত উল্ল্যাহ সাহেব কোনো প্রচারণায় গিয়ে হেনস্তা হোন নি। এতো সস্তা জনপ্রিয়তায় গা হেলিয়ে দেয়াটাই কি পরাজয়ের মূল কারণ নাকি?

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, নৌকা ও ঘড়ি ছাড়াও আরও প্রার্থীরা প্রায় ৬০ হাজার+ ভোট টানতে সক্ষম হয়েছেন। তাহলে এই ভোটগুলো যদি নৌকাতে থাকতো তবে ফলাফল অবশ্যই পরিবর্তন হতো। সাধারণ মানুষ রাজনীতি কম বুঝে। তাদের আবেগ বেশি। তাদের আবেগ নিয়ে যারা খেলতে পারবে, তারাই তাদের ভোট পাবে৷

সময় হয়েছে, নিজেদেরকে সংযত করার। রাজনৈতিক বিদ্বেষে নিজ ভাইয়ের শরীরে আঘাত করার পূর্বে মনে রাখার দরকার, আপনি আশরাফুল মাখলুকাত। অথচ আপনি সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে অহংকার ও ক্ষমতার দাপটে জাত ভাইদের পরাস্থ করতে মাথা ফাটিয়ে ভাই/বোনদের রক্ত দেখে বুনো উল্লাস করেন। আপনি বা আপনাদের তখনকার কাপুরুষোচিত আচরণও রাজনৈতিক ফলাফল পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।

জাহাঙ্গীর আলম তার মূল খেলা তার মা জায়েদা খাতুনকে দিয়ে খেলেছেন। শীর্ষ স্থানীয় কিছু চ্যানেল সারাক্ষণ জাহাঙ্গীর আলমের বদনাম গাইতে গাইতে শেষ। ধরলাম সে খারাপ, তাহলে দায়িত্ব পালনের সময় এগুলো মাইক লাগিয়ে কেনো বলেন নাই? আপনাদের সাহস শুধু দূর্বলদের সাথেই। সৎ সাহস থাকলে তো সারাক্ষণই সত্য বলা যায়। যে সব চ্যানেল টাকার বিনিময়ে সারাক্ষণ খারাপ নিউজগুলো প্রচার করতো, তারাই দেখবেন এখন ভালো সংবাদ প্রচারে উঠে পড়ে লাগবে। এমনকি কিছু নামধারী সাংবাদিকও জাহাঙ্গীর আলমের গুণগান গাইতে শুরু করবে।

পদ থেকে বহিষ্কার, দল থেকে বহিষ্কার, স্ত্রী কর্তৃক তালাক, দূর্ণীতির কথা বলে লোকটাকে হেনস্তা, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও কর্মীদের আক্রোশের স্বীকার অতঃপর একলা চলা নীতিতেই অটল থাকা লোকটির বিজয়ের শেষ হাসি।

নির্বাচনে জিততে হলে দলীয় প্রতীক নয়, কৌশলী হতে হয়। যা নৌকা পারে নি, ঘড়ি পেরেছেন৷ এড. আজমত উল্ল্যাহ খান সাহেব খারাপ নয়, তা এক বাক্যে সকলেই স্বীকার করবেন। তবে তার কর্মী (সবাই না, গুটি কয়েকজন) মানুষদেরকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ণ না করার ফল নির্বাচনে টের পেয়েছেন আওয়ামীলীগ। এখনও সময় আছে, তৃণমূলের ত্যাগী নেতাদের বের করে তাদেরকে কমিটিতে রাখুন৷ নয়তো চিরতরে হারিয়ে যাবে ঐতিহ্যবাহী দলটি।

রাজনীতিতে আপন বলতে কিছু নাই।জীবনের শেষ সময়ে দলের লোকগুলোর বিশ্বাসঘাতকতায় হয়তো এড. আজমত উল্ল্যাহ খান হেরেছেন, তবে মনে রাখবেন, এক পক্ষীয় কোন কিছুই ভালো না।

এড. আজমত উল্লাহ খান, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও গাজীপুরের প্রবীন রাজনীতিবিদ। তিনি যখন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত, তখন অনেকের জন্ম হয় নি। তার বক্তৃতা দেয়া ও কথা বলার প্রেমে পড়েন নাই, এমন লোক খুবই কম। ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন লোকটিকে টেনে হিঁচড়ে যারা ছুড়ে ফেলেছে, তারা কিন্তু দলেরই লোক।

গাসিক নির্বাচন, আওয়ামী লীগের জন্য অশনী সংকেত। কেননা নৌকা পেলেই যারা ভাবে তারা জয়ী। তারা এবার ঘুমান। কেননা নৌকার পক্ষে থেকেও মীরজাফর, খন্দকার মোস্তাক কিংবা মেজর ডালিমের মতো ওৎ পেতে থাকা একাধিক দুষ্টু লোক দলে অবস্থান করে দলকে ক্ষতি করার জন্যই বসে আছে।

গতকালকের নির্বাচনে ইতিবাচক দিক হলো, নির্বাচনে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটে নি। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হয়েছে। যদিও ফল প্রকাশে ইসি কিছুটা বিলম্ব করেছে। এতে করে নিজেদের কাজে নিজেরাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন ইসি।

এড. আজমত উল্লাহ খানের প্রতি এতো ক্ষোভ কেন ছিলো স্থানীয়দের। কেননা তিনি হয়তো অন্যায়ের বিপক্ষে আপোষহীন একজন সৈনিক ছিলেন এবং থাকবেন। তাই অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেয়ায় তার দলের লোকরাই অনেকে তার থেকে সুবিধা নিতে পারতো না। সেই লোকগুলোই সুযোগ বুঝে তাকে ঘায়েল করেছেন।

আমার মতে হাজার হাজার যোজন-বিয়োজন দূরে আজমত-জায়েদা খাতুন। ছেলেকে খুশী করতে মা হিসেবে পাশে থেকে সঙ্গ দেয়া এক কালজয়ী নারী হিসেবে তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে কিভাবে মনোবল অটুট রেখে একাগ্রতা মনোভাব রেখে কাজ করে যেতে হয়, তা করে দেখিয়েছেন মা ও ছেলে।

দিন শেষে আফসোস, এড. আজমত উল্লাহ খান নৌকা পেয়েও দলীয় লোকের প্রতারণা, অর্থ ও দাম্ভিকতায় হেরে গেলেন।তবুও দিন শেষে তার জন্য শ্রদ্ধা।

Facebook Comments Box