ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের নির্দেশে উয়ারুকে থামবে আইদি পরিবহন আমি ৯৬ সালের রফিকুল ইসলাম নই, আমি ২৪ সালের রফিকুল ইসলাম স্ত্রী নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে প্রবাসী খোরশেদ আলমের সাংবাদিক সম্মেলন শাহরাস্তিতে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত শাহরাস্তি ক্রিকেট একাডেমীর আয়োজনে ট্যালেন্ট হান্টের পর্দা উঠলো আজ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন মৌসুমি সরকার শাহরাস্তিতে দেবরের কোদালের কোপে ভাবির মৃত্যু প্রিয় নেতাকে বিজয়ী করতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে শরিফ খান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মৌসুমিকে বিজয়ী করতে চায় জনগণ আবদুল জলিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হবেন বলে জানালেন সাধারণ জনতা

হাটবাজারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম, মাছ-মাংসের দামও বেশি

দফায় দফায় বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। ৮০টাকার নিচে নেই কোন সবজি। বেড়েছে তেল, চিনি, পেঁয়াজ ও মাছ, মাংসের। ফলে অস্বস্তিতে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।উপজেলার কয়েকটি হাট বাজার ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। তবে কমেছে একটু ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ২২০ টাকায় বিক্রি করা হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২১৫ টাকায়।৩৫ টাকার পেঁয়াজ মাসের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৩৫টাকা। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকায়। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ টাকায়। এভাবে বেড়েছে তেল, চিনি। বাজারে সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা লিটার এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটারে। প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ১৩ টাকা। ১০৪ টাকা দরে চিনি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। প্রতি কেজি আদা ২৬০-২৮০ টাকা ও রসুন ১৬০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি মসুর ডাল ১২০ থেকে ১৩০টাকা, খোলা আটা ৬০, প্যাকেট আটা ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এদিকে কাঁচা বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা,পেঁপে ৭০টাকা, তিত করল্লা ১০০টাকা, করল্লা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, গাজর ৭০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, সজনে ১৬০ টাকা, লাউ ৭০টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা, আলু ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজার প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০-৪০০টাকা, কাতল ৬০০টাকা, বেলে মাছ ১০০০-১১০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৫০০, চিংড়ি ৮০০-১২০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৬০০ টাকা, কৈ মাছ ৩০০ টাকা, শিং মাছ ৫০০ টাকা,কালিবাউশ ৪০০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, নারকেলের মাছ ২০০-২৫০টাকা,তালা পোয়া মাছ ১৫০-২০০ টাকা, পাঙ্গাস মাছ ১৬০-২০০টাকা, রূপচান্দা মাছ ৪০০ টাকা, মাইট্যা মাছ ৬০০-৩৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজার গরু মাংস ৭৫০- ৮০০টাকা ও মহিষ- ৮০০টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সব কিছুর দাম বাড়ার কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে।

মুদির দোকানদার জানান, চট্টগ্রামের বৃহত্তর পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাত দেখিয়ে নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়ে গেছে। সেটি খুচরা বাজারে এসে ১০,থেকে ২০ বেড়ে গেছে।

ক্রেতা সাধারণ জানান, নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। সবজি, মাছ, ও মাংসের দামও বেশি। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কোনো অজুহাত পেলেই আরতদাররা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।বাজার মনিটরিংয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে। যার কারণে বাজার সিন্ডিকেটকারীরা সুযোগ পাচ্ছে।

Facebook Comments Box
Tag :

মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের নির্দেশে উয়ারুকে থামবে আইদি পরিবহন

হাটবাজারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম, মাছ-মাংসের দামও বেশি

Update Time : ০৬:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

দফায় দফায় বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। ৮০টাকার নিচে নেই কোন সবজি। বেড়েছে তেল, চিনি, পেঁয়াজ ও মাছ, মাংসের। ফলে অস্বস্তিতে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।উপজেলার কয়েকটি হাট বাজার ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। তবে কমেছে একটু ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ২২০ টাকায় বিক্রি করা হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২১৫ টাকায়।৩৫ টাকার পেঁয়াজ মাসের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৩৫টাকা। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকায়। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ টাকায়। এভাবে বেড়েছে তেল, চিনি। বাজারে সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা লিটার এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটারে। প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ১৩ টাকা। ১০৪ টাকা দরে চিনি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। প্রতি কেজি আদা ২৬০-২৮০ টাকা ও রসুন ১৬০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি মসুর ডাল ১২০ থেকে ১৩০টাকা, খোলা আটা ৬০, প্যাকেট আটা ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এদিকে কাঁচা বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা,পেঁপে ৭০টাকা, তিত করল্লা ১০০টাকা, করল্লা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, গাজর ৭০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, সজনে ১৬০ টাকা, লাউ ৭০টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা, আলু ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজার প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০-৪০০টাকা, কাতল ৬০০টাকা, বেলে মাছ ১০০০-১১০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৫০০, চিংড়ি ৮০০-১২০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৬০০ টাকা, কৈ মাছ ৩০০ টাকা, শিং মাছ ৫০০ টাকা,কালিবাউশ ৪০০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, নারকেলের মাছ ২০০-২৫০টাকা,তালা পোয়া মাছ ১৫০-২০০ টাকা, পাঙ্গাস মাছ ১৬০-২০০টাকা, রূপচান্দা মাছ ৪০০ টাকা, মাইট্যা মাছ ৬০০-৩৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজার গরু মাংস ৭৫০- ৮০০টাকা ও মহিষ- ৮০০টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সব কিছুর দাম বাড়ার কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে।

মুদির দোকানদার জানান, চট্টগ্রামের বৃহত্তর পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাত দেখিয়ে নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়ে গেছে। সেটি খুচরা বাজারে এসে ১০,থেকে ২০ বেড়ে গেছে।

ক্রেতা সাধারণ জানান, নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। সবজি, মাছ, ও মাংসের দামও বেশি। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কোনো অজুহাত পেলেই আরতদাররা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।বাজার মনিটরিংয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে। যার কারণে বাজার সিন্ডিকেটকারীরা সুযোগ পাচ্ছে।

Facebook Comments Box