ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
চেয়ারে বসলেন শ্রীপুর উপজেলার নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান,ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন শরিফ খান জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন এস এম শরিফ খান শাহরাস্তিতে নকলের দায়ে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিস্কার বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মোঃ কামাল উদ্দিনের অভিনন্দন বার্তা মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের নির্দেশে উয়ারুকে থামবে আইদি পরিবহন আমি ৯৬ সালের রফিকুল ইসলাম নই, আমি ২৪ সালের রফিকুল ইসলাম স্ত্রী নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে প্রবাসী খোরশেদ আলমের সাংবাদিক সম্মেলন শাহরাস্তিতে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত শাহরাস্তি ক্রিকেট একাডেমীর আয়োজনে ট্যালেন্ট হান্টের পর্দা উঠলো আজ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন মৌসুমি সরকার

হাতের লেখা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন শাহাদাত!

অবিশ্বাস হলেও সত্যি কম্পিউটারের মত সুন্দর করে বিভিন্ন ফন্টের আদলে নিজের হাতে এত নিখুঁত ভাবে লিখতে পারেন যে প্রথম দেখায় কেউ বিশ্বাস করতেই চাইবে না। এই লেখা কোন মানুষের হাতের লেখা। চোখ ধাঁধানো নজর কাড়ার মতো সুন্দর করে বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষার যে কোন ফন্ট লিখতে পারেন তিনি ।

এমন বিরল প্রতিভার অধিকারী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ৭ নং এখলাছপুর হাসেমপুর গ্রামের আহসান উল্লাহ সরকারের ছেলে মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন (৩৯)। যিনি বর্তমানে চাকরি করছেন একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির তিন জেলার ম্যানেজার হিসেবে।

শাহাদাত হোসেন জানান, গত ৩০ বছর ধরে হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন। এই সময়ে তিনি মানুষের হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল আবিষ্কার করেন। ফলে বর্তমানে তিনি বাংলা লেখার যতগুলো ফন্ট রয়েছে সবগুলো ফন্টের আদলো কম্পিউটার নয়,নিজের হাতে লিখতে পারেন। বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইলিশ ও আরবি ভাষারও বিভিন্ন ফন্ট লিখতে পারেন।

শাহাদত হোসেন হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল নিয়ে কাজ করার কারন হিসেবে জানান, তিনি যখন ক্লাস ওয়ানে পড়তেন। তখন একবার তিনি হাতের লেখা খারাপ হওয়ার করেন টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অনেক খারাপ ফলাফল করেছেন। তখন তারা মা সেই পরীক্ষার খাতার পাতাগুলো ছিড়ে ফেলে দিয়েছেন। এই বিষয়টা তাকে অনেক তাড়ানো দিয়েছে। সেই থেকে হাতের লেখা সুন্দর করার চেষ্টা করেন৷ এই চেষ্টায় তিনি সফল হয়েছেন।

হাতে লেখা নিয়ে ভবিষ্য পরিকল্পনা কী জানতে চাইলে শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে তরুণ মোবাইল ফোনে আসক্ত বেশি। যার কারণে তাদের অনেকেরই হাতের লেখা খারাপ। আমি এমন একটা কাজ করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর করে লিখতে পারে। তাদের হাতে লেখা যেন সুন্দর হয়ে যায়। দীর্ঘদিন গবেষণা করে আমি যে কৌশলগুলো আবিষ্কার করেছি। সেগুলো আমি তাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। সেই জন্য আমি তাদের জন্য তাদের নিয়ে কাজ করতে চাই।

Facebook Comments Box
Tag :

চেয়ারে বসলেন শ্রীপুর উপজেলার নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান,ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন শরিফ খান

হাতের লেখা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন শাহাদাত!

Update Time : ০৪:৫১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

অবিশ্বাস হলেও সত্যি কম্পিউটারের মত সুন্দর করে বিভিন্ন ফন্টের আদলে নিজের হাতে এত নিখুঁত ভাবে লিখতে পারেন যে প্রথম দেখায় কেউ বিশ্বাস করতেই চাইবে না। এই লেখা কোন মানুষের হাতের লেখা। চোখ ধাঁধানো নজর কাড়ার মতো সুন্দর করে বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষার যে কোন ফন্ট লিখতে পারেন তিনি ।

এমন বিরল প্রতিভার অধিকারী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ৭ নং এখলাছপুর হাসেমপুর গ্রামের আহসান উল্লাহ সরকারের ছেলে মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন (৩৯)। যিনি বর্তমানে চাকরি করছেন একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির তিন জেলার ম্যানেজার হিসেবে।

শাহাদাত হোসেন জানান, গত ৩০ বছর ধরে হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন। এই সময়ে তিনি মানুষের হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল আবিষ্কার করেন। ফলে বর্তমানে তিনি বাংলা লেখার যতগুলো ফন্ট রয়েছে সবগুলো ফন্টের আদলো কম্পিউটার নয়,নিজের হাতে লিখতে পারেন। বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইলিশ ও আরবি ভাষারও বিভিন্ন ফন্ট লিখতে পারেন।

শাহাদত হোসেন হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল নিয়ে কাজ করার কারন হিসেবে জানান, তিনি যখন ক্লাস ওয়ানে পড়তেন। তখন একবার তিনি হাতের লেখা খারাপ হওয়ার করেন টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অনেক খারাপ ফলাফল করেছেন। তখন তারা মা সেই পরীক্ষার খাতার পাতাগুলো ছিড়ে ফেলে দিয়েছেন। এই বিষয়টা তাকে অনেক তাড়ানো দিয়েছে। সেই থেকে হাতের লেখা সুন্দর করার চেষ্টা করেন৷ এই চেষ্টায় তিনি সফল হয়েছেন।

হাতে লেখা নিয়ে ভবিষ্য পরিকল্পনা কী জানতে চাইলে শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে তরুণ মোবাইল ফোনে আসক্ত বেশি। যার কারণে তাদের অনেকেরই হাতের লেখা খারাপ। আমি এমন একটা কাজ করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর করে লিখতে পারে। তাদের হাতে লেখা যেন সুন্দর হয়ে যায়। দীর্ঘদিন গবেষণা করে আমি যে কৌশলগুলো আবিষ্কার করেছি। সেগুলো আমি তাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। সেই জন্য আমি তাদের জন্য তাদের নিয়ে কাজ করতে চাই।

Facebook Comments Box