ঢাকা , শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
শাহরাস্তিতে জাতীয় বীমা দিবস পালিত কেক কাটার মধ্য দিয়ে পাঠক প্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “প্রিয় চাঁদপুর” এর ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত শাহরাস্তির রায়শ্রী আল-আমিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদকে ভূষিত হলেন ফরিদগঞ্জের শামছুন্নাহার এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: মনোহরগঞ্জে ২ শিক্ষক জেলে, প্রধান শিক্ষক পলাতক বদলে গেছে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে শ্রীপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শাহরাস্তি রেল স্টেশন বাজার কমিটি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মো.সাইফুল ইসলাম সকলের দোয়াপ্রার্থী বিডি হিউম্যান অর্গানাইজেশন এর আইসিটি অলিম্পিয়াড বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন  শাহরাস্তিতে পিতা-মাতাকে ঘর থেকে বের করে দেয়ায় গ্রেফতার পুত্র

হাতের লেখা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন শাহাদাত!

অবিশ্বাস হলেও সত্যি কম্পিউটারের মত সুন্দর করে বিভিন্ন ফন্টের আদলে নিজের হাতে এত নিখুঁত ভাবে লিখতে পারেন যে প্রথম দেখায় কেউ বিশ্বাস করতেই চাইবে না। এই লেখা কোন মানুষের হাতের লেখা। চোখ ধাঁধানো নজর কাড়ার মতো সুন্দর করে বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষার যে কোন ফন্ট লিখতে পারেন তিনি ।

এমন বিরল প্রতিভার অধিকারী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ৭ নং এখলাছপুর হাসেমপুর গ্রামের আহসান উল্লাহ সরকারের ছেলে মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন (৩৯)। যিনি বর্তমানে চাকরি করছেন একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির তিন জেলার ম্যানেজার হিসেবে।

শাহাদাত হোসেন জানান, গত ৩০ বছর ধরে হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন। এই সময়ে তিনি মানুষের হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল আবিষ্কার করেন। ফলে বর্তমানে তিনি বাংলা লেখার যতগুলো ফন্ট রয়েছে সবগুলো ফন্টের আদলো কম্পিউটার নয়,নিজের হাতে লিখতে পারেন। বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইলিশ ও আরবি ভাষারও বিভিন্ন ফন্ট লিখতে পারেন।

শাহাদত হোসেন হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল নিয়ে কাজ করার কারন হিসেবে জানান, তিনি যখন ক্লাস ওয়ানে পড়তেন। তখন একবার তিনি হাতের লেখা খারাপ হওয়ার করেন টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অনেক খারাপ ফলাফল করেছেন। তখন তারা মা সেই পরীক্ষার খাতার পাতাগুলো ছিড়ে ফেলে দিয়েছেন। এই বিষয়টা তাকে অনেক তাড়ানো দিয়েছে। সেই থেকে হাতের লেখা সুন্দর করার চেষ্টা করেন৷ এই চেষ্টায় তিনি সফল হয়েছেন।

হাতে লেখা নিয়ে ভবিষ্য পরিকল্পনা কী জানতে চাইলে শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে তরুণ মোবাইল ফোনে আসক্ত বেশি। যার কারণে তাদের অনেকেরই হাতের লেখা খারাপ। আমি এমন একটা কাজ করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর করে লিখতে পারে। তাদের হাতে লেখা যেন সুন্দর হয়ে যায়। দীর্ঘদিন গবেষণা করে আমি যে কৌশলগুলো আবিষ্কার করেছি। সেগুলো আমি তাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। সেই জন্য আমি তাদের জন্য তাদের নিয়ে কাজ করতে চাই।

Facebook Comments Box
Tag :
About Author Information

RAFIU HASAN

শাহরাস্তিতে জাতীয় বীমা দিবস পালিত

হাতের লেখা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন শাহাদাত!

Update Time : ০৪:৫১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

অবিশ্বাস হলেও সত্যি কম্পিউটারের মত সুন্দর করে বিভিন্ন ফন্টের আদলে নিজের হাতে এত নিখুঁত ভাবে লিখতে পারেন যে প্রথম দেখায় কেউ বিশ্বাস করতেই চাইবে না। এই লেখা কোন মানুষের হাতের লেখা। চোখ ধাঁধানো নজর কাড়ার মতো সুন্দর করে বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষার যে কোন ফন্ট লিখতে পারেন তিনি ।

এমন বিরল প্রতিভার অধিকারী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ৭ নং এখলাছপুর হাসেমপুর গ্রামের আহসান উল্লাহ সরকারের ছেলে মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন (৩৯)। যিনি বর্তমানে চাকরি করছেন একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির তিন জেলার ম্যানেজার হিসেবে।

শাহাদাত হোসেন জানান, গত ৩০ বছর ধরে হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন। এই সময়ে তিনি মানুষের হাতের লেখা সুন্দর করার বিভিন্ন কৌশল আবিষ্কার করেন। ফলে বর্তমানে তিনি বাংলা লেখার যতগুলো ফন্ট রয়েছে সবগুলো ফন্টের আদলো কম্পিউটার নয়,নিজের হাতে লিখতে পারেন। বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইলিশ ও আরবি ভাষারও বিভিন্ন ফন্ট লিখতে পারেন।

শাহাদত হোসেন হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল নিয়ে কাজ করার কারন হিসেবে জানান, তিনি যখন ক্লাস ওয়ানে পড়তেন। তখন একবার তিনি হাতের লেখা খারাপ হওয়ার করেন টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অনেক খারাপ ফলাফল করেছেন। তখন তারা মা সেই পরীক্ষার খাতার পাতাগুলো ছিড়ে ফেলে দিয়েছেন। এই বিষয়টা তাকে অনেক তাড়ানো দিয়েছে। সেই থেকে হাতের লেখা সুন্দর করার চেষ্টা করেন৷ এই চেষ্টায় তিনি সফল হয়েছেন।

হাতে লেখা নিয়ে ভবিষ্য পরিকল্পনা কী জানতে চাইলে শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে তরুণ মোবাইল ফোনে আসক্ত বেশি। যার কারণে তাদের অনেকেরই হাতের লেখা খারাপ। আমি এমন একটা কাজ করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর করে লিখতে পারে। তাদের হাতে লেখা যেন সুন্দর হয়ে যায়। দীর্ঘদিন গবেষণা করে আমি যে কৌশলগুলো আবিষ্কার করেছি। সেগুলো আমি তাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। সেই জন্য আমি তাদের জন্য তাদের নিয়ে কাজ করতে চাই।

Facebook Comments Box