ঢাকা , শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের নির্দেশে উয়ারুকে থামবে আইদি পরিবহন আমি ৯৬ সালের রফিকুল ইসলাম নই, আমি ২৪ সালের রফিকুল ইসলাম স্ত্রী নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে প্রবাসী খোরশেদ আলমের সাংবাদিক সম্মেলন শাহরাস্তিতে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত শাহরাস্তি ক্রিকেট একাডেমীর আয়োজনে ট্যালেন্ট হান্টের পর্দা উঠলো আজ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন মৌসুমি সরকার শাহরাস্তিতে দেবরের কোদালের কোপে ভাবির মৃত্যু প্রিয় নেতাকে বিজয়ী করতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে শরিফ খান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মৌসুমিকে বিজয়ী করতে চায় জনগণ আবদুল জলিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হবেন বলে জানালেন সাধারণ জনতা

শাহরাস্তিতে ভাইয়ের সাথে প্রতারণায় বিচারের আশায় মানুষের দ্বারে অসহায় মানিক

শাহরাস্তিতে ছোট ভাইয়ের সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতারণা করেছে বড় ভাই। বিচার পাওয়ার আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে প্রতারিত হওয়া ছোট ভাই মানিক।

ঘটনাটি উপজেলার পৌর ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব উপলতায় ঘটে।

জানা যায়, পৌর ১১নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুর গ্রামের সাহা বাড়ির মৃত রাধা বল্লভ সাহার পুত্র নিখিল চন্দ্র সাহা কন্যা দায়গ্রস্ততা থেকে মুক্তি পেতে নগদ অর্থের প্রয়োজন হয়। হাতে টাকা না থাকায় তিনি জায়গা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন।
সময় ও পরিস্থিতি ওনার অনুকূলে না থাকায় তিনি তার নিজ নামীয় জায়গা বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়ে ছোট ভাই মানিক চন্দ্র সাহার শরণপন্ন হন। তিনি মানিকের জায়গা বিক্রি করে কন্যাকে পাত্রস্থ করেন।

এবিষয়ে মানিক চন্দ্র সাহা বলেন, নিখিল চন্দ্র সাহা আমার বড় ভাই। তার কনিষ্ঠ কন্যা জলি রাণী সাহার বিয়ের খরচ মেটাতে না পেরে জায়গা বেচার সিদ্ধান্ত নেন। ওনার জায়গা আমার জায়গার পিছনে থাকায় তিনি দ্রুত বিক্রি করতে পারছেন না এবং ওনার প্রয়োজনীয় টাকাও মূল্য হিসেবে পাচ্ছেন না। তাই তিনি আমার সামনের জায়গার সাথে ওনার পিছনের জায়গা অদল-বদল মূলে নিবেন বলে আমাকে প্রস্তাব দেন। আমি আমার বড় ভাইয়ের এমন কথায় ও বিশ্বাসে সম্মত হই। ঘটনাটি ২০০৮ সালের। মৌখিক অদল-বদল মূলে আমার সামনের ৫ শতক জায়গা বড় ভাই নিখিল চন্দ্র সাহাকে দিলে তিনি হুমায়ুন কবির নামক এক ব্যক্তির কাছে ১৯/০৬/২০০৮ইং তারিখে বিক্রি করেন। যাহা আমি আমার দলিল ও খতিয়ান থেকে রেজিস্ট্রি প্রদান করি। উক্ত জায়গার বিক্রিত টাকায় ২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারী রবিবার তার কনিষ্ঠ কন্যা জলি রাণী সাহার বিবাহ প্রদান করেন। যখন আমি ইয়াজবদলের ৫ শতক জায়গার রেজিস্ট্রি চাই তখনই তিনি দিচ্ছি দিবো বলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এইভাবে চলে যায় ১৪টি বছর। এক পর্যায়ে আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করি। তাদের পরামর্শ মোতাবেক পৌর প্রসাশন ও থানা প্রসাশনকে লিখিত অবহিত করলে উভয় স্থানে শালিস অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত শালিসে তিনি জায়গা রেজিস্ট্রি করে দিবেন বলে বারবার স্বীকার করেও অদ্যাবধি তা রেজিস্ট্রি করে দেননি। তিনি আরও বলেন, উপলতা মৌজার সাবেক ২৪০, হালে ১১২৯ নং খতিয়ানের অধিনে ২৬৯৩ নং হাল দাগের অন্দরে সোয়া ২০ শতক জায়গার মালিক-দখলদার আমি এবং আমার বড় ভাই তিনিও একই খতিয়ান ও দাগে ২০ শতক জায়গার মালিক-দখলদার হন। বড় ভাই কুটকৌশল করে আমার নিজ নামীয় জায়গার সম্মূখে থাকা পাকা রাস্তা ও মসজিদের পশ্চিম পাশে ৫ শতক জায়গা (ভিটি) আমার দ্বারাই রেজিস্ট্রি করে বিক্রি করেন। আমি সহজ সরল মনে বড় ভাইয়ের বিপদকালে তার প্রস্তাব সহজে গ্রহন করি। এটাই আমার বড় অপরাধ।

অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি বলেন, আমার জায়গার পিছনে তার জায়গা হতে মাপ জরিপ করে আমাকে অদল-বদলের ৫ শতক জায়গা বুঝিয়ে দেন। তাতে আমি মাটি ভরাট করে বসবাস উপযোগী দুটি গৃহ নির্মাণ করে বসবাস শুরু করি।

কিন্তু এখানে এতবছর বসবার করার পরও তিনি আমাকে রেজিস্ট্রি করে দেননি। আমাকে মাপ জরিপ করে বুঝিয়ে দেয়া জায়গাটি অন্যত্র বিক্রি করার পায়তারা করছে যা আমি পরস্পরের কাছ থেকে শুনতে পাই। তখন ওনার সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। গত ২৯ মার্চ-২০২৩ইং তারিখে জানতে পারি উক্ত জায়গা উপলতাবাসী আবদুল কাইয়ুম নামক এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করেছেন। বিক্রির ৯দিন পর অদল-বদলের জায়গায় আমার নির্মিত দুটি বসত ঘর আমার বড় ভাই তার সাঙ্গপাঙ্গ দিয়ে ভাংচুর, লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে আমার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আমি হতদারিদ্র ও অসহায় বিধায় উক্ত ঘটনার প্রতিকার ও বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। তিনি এমন প্রতারকের হাত থেকে তার জায়গা উদ্ধার করতে সকলের
সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এবিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানিক অসহায় হয়ে শ্রীশ্রী মেহার কালীবাড়ি কার্যকরী সংসদ, শাহরাস্তি উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, হাজিগঞ্জ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও চাঁদপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত মানিকের ভাই অখিল চন্দ্র সাহা, ঠাকুর বাজার ব্যবসায়ী মিহির চন্দ্র সাহা, টামটা ভূঁইয়া বাড়ির মাইন উদ্দীনসহ অসংখ্য স্বাক্ষীরা বলেন, মানিক অত্যন্ত গরীব ও অসহায়। মানিক তার বড় ভাই নিখিল চন্দ্র সাহার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত। এবিষয়ে থানায়, পৌরসভায় বহুবার বসা হয়েছে। নিখিল স্বীকার করেন কিন্তু মানিকের জায়গা রেজিস্ট্রি করে দেননি। বিষয়টি এলাকার বহু লোকজন জানেন। তবে এর প্রতিকার একান্ত প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

এছাড়া জায়গা ক্রেতা হুমায়ুন বলেন, নিখিল বাবু আমার কাছে উক্ত জায়গা বিক্রি করেন এবং তিনিই আমার কাছ থেকে টাকা নেন আর আমাকে রেজিস্ট্রি প্রদান করেন মানিক। পরে জেনেছি নিখিল বাবু মানিককে তার প্রাপ্য জায়গা রেজিস্ট্রি করে দেননি। বিষয়টি আপত্তিকর বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে নিখিল চন্দ্র সাহার সাথে তার মুঠোফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু বলবেন না বলে জানান।

Facebook Comments Box
Tag :

মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের নির্দেশে উয়ারুকে থামবে আইদি পরিবহন

শাহরাস্তিতে ভাইয়ের সাথে প্রতারণায় বিচারের আশায় মানুষের দ্বারে অসহায় মানিক

Update Time : ০৬:৩৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

শাহরাস্তিতে ছোট ভাইয়ের সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতারণা করেছে বড় ভাই। বিচার পাওয়ার আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে প্রতারিত হওয়া ছোট ভাই মানিক।

ঘটনাটি উপজেলার পৌর ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব উপলতায় ঘটে।

জানা যায়, পৌর ১১নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুর গ্রামের সাহা বাড়ির মৃত রাধা বল্লভ সাহার পুত্র নিখিল চন্দ্র সাহা কন্যা দায়গ্রস্ততা থেকে মুক্তি পেতে নগদ অর্থের প্রয়োজন হয়। হাতে টাকা না থাকায় তিনি জায়গা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন।
সময় ও পরিস্থিতি ওনার অনুকূলে না থাকায় তিনি তার নিজ নামীয় জায়গা বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়ে ছোট ভাই মানিক চন্দ্র সাহার শরণপন্ন হন। তিনি মানিকের জায়গা বিক্রি করে কন্যাকে পাত্রস্থ করেন।

এবিষয়ে মানিক চন্দ্র সাহা বলেন, নিখিল চন্দ্র সাহা আমার বড় ভাই। তার কনিষ্ঠ কন্যা জলি রাণী সাহার বিয়ের খরচ মেটাতে না পেরে জায়গা বেচার সিদ্ধান্ত নেন। ওনার জায়গা আমার জায়গার পিছনে থাকায় তিনি দ্রুত বিক্রি করতে পারছেন না এবং ওনার প্রয়োজনীয় টাকাও মূল্য হিসেবে পাচ্ছেন না। তাই তিনি আমার সামনের জায়গার সাথে ওনার পিছনের জায়গা অদল-বদল মূলে নিবেন বলে আমাকে প্রস্তাব দেন। আমি আমার বড় ভাইয়ের এমন কথায় ও বিশ্বাসে সম্মত হই। ঘটনাটি ২০০৮ সালের। মৌখিক অদল-বদল মূলে আমার সামনের ৫ শতক জায়গা বড় ভাই নিখিল চন্দ্র সাহাকে দিলে তিনি হুমায়ুন কবির নামক এক ব্যক্তির কাছে ১৯/০৬/২০০৮ইং তারিখে বিক্রি করেন। যাহা আমি আমার দলিল ও খতিয়ান থেকে রেজিস্ট্রি প্রদান করি। উক্ত জায়গার বিক্রিত টাকায় ২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারী রবিবার তার কনিষ্ঠ কন্যা জলি রাণী সাহার বিবাহ প্রদান করেন। যখন আমি ইয়াজবদলের ৫ শতক জায়গার রেজিস্ট্রি চাই তখনই তিনি দিচ্ছি দিবো বলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এইভাবে চলে যায় ১৪টি বছর। এক পর্যায়ে আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করি। তাদের পরামর্শ মোতাবেক পৌর প্রসাশন ও থানা প্রসাশনকে লিখিত অবহিত করলে উভয় স্থানে শালিস অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত শালিসে তিনি জায়গা রেজিস্ট্রি করে দিবেন বলে বারবার স্বীকার করেও অদ্যাবধি তা রেজিস্ট্রি করে দেননি। তিনি আরও বলেন, উপলতা মৌজার সাবেক ২৪০, হালে ১১২৯ নং খতিয়ানের অধিনে ২৬৯৩ নং হাল দাগের অন্দরে সোয়া ২০ শতক জায়গার মালিক-দখলদার আমি এবং আমার বড় ভাই তিনিও একই খতিয়ান ও দাগে ২০ শতক জায়গার মালিক-দখলদার হন। বড় ভাই কুটকৌশল করে আমার নিজ নামীয় জায়গার সম্মূখে থাকা পাকা রাস্তা ও মসজিদের পশ্চিম পাশে ৫ শতক জায়গা (ভিটি) আমার দ্বারাই রেজিস্ট্রি করে বিক্রি করেন। আমি সহজ সরল মনে বড় ভাইয়ের বিপদকালে তার প্রস্তাব সহজে গ্রহন করি। এটাই আমার বড় অপরাধ।

অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি বলেন, আমার জায়গার পিছনে তার জায়গা হতে মাপ জরিপ করে আমাকে অদল-বদলের ৫ শতক জায়গা বুঝিয়ে দেন। তাতে আমি মাটি ভরাট করে বসবাস উপযোগী দুটি গৃহ নির্মাণ করে বসবাস শুরু করি।

কিন্তু এখানে এতবছর বসবার করার পরও তিনি আমাকে রেজিস্ট্রি করে দেননি। আমাকে মাপ জরিপ করে বুঝিয়ে দেয়া জায়গাটি অন্যত্র বিক্রি করার পায়তারা করছে যা আমি পরস্পরের কাছ থেকে শুনতে পাই। তখন ওনার সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। গত ২৯ মার্চ-২০২৩ইং তারিখে জানতে পারি উক্ত জায়গা উপলতাবাসী আবদুল কাইয়ুম নামক এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করেছেন। বিক্রির ৯দিন পর অদল-বদলের জায়গায় আমার নির্মিত দুটি বসত ঘর আমার বড় ভাই তার সাঙ্গপাঙ্গ দিয়ে ভাংচুর, লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে আমার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আমি হতদারিদ্র ও অসহায় বিধায় উক্ত ঘটনার প্রতিকার ও বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। তিনি এমন প্রতারকের হাত থেকে তার জায়গা উদ্ধার করতে সকলের
সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এবিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানিক অসহায় হয়ে শ্রীশ্রী মেহার কালীবাড়ি কার্যকরী সংসদ, শাহরাস্তি উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, হাজিগঞ্জ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও চাঁদপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত মানিকের ভাই অখিল চন্দ্র সাহা, ঠাকুর বাজার ব্যবসায়ী মিহির চন্দ্র সাহা, টামটা ভূঁইয়া বাড়ির মাইন উদ্দীনসহ অসংখ্য স্বাক্ষীরা বলেন, মানিক অত্যন্ত গরীব ও অসহায়। মানিক তার বড় ভাই নিখিল চন্দ্র সাহার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত। এবিষয়ে থানায়, পৌরসভায় বহুবার বসা হয়েছে। নিখিল স্বীকার করেন কিন্তু মানিকের জায়গা রেজিস্ট্রি করে দেননি। বিষয়টি এলাকার বহু লোকজন জানেন। তবে এর প্রতিকার একান্ত প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

এছাড়া জায়গা ক্রেতা হুমায়ুন বলেন, নিখিল বাবু আমার কাছে উক্ত জায়গা বিক্রি করেন এবং তিনিই আমার কাছ থেকে টাকা নেন আর আমাকে রেজিস্ট্রি প্রদান করেন মানিক। পরে জেনেছি নিখিল বাবু মানিককে তার প্রাপ্য জায়গা রেজিস্ট্রি করে দেননি। বিষয়টি আপত্তিকর বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে নিখিল চন্দ্র সাহার সাথে তার মুঠোফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু বলবেন না বলে জানান।

Facebook Comments Box