ঢাকা , শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হাজারো নেতাকর্মীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. হুমায়ুন কবির সুমন শাহরাস্তির সুয়াপাড়া বড়বাড়ী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল উল ফিতরের বিশাল জামায়েত অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফুটবল খেলার আয়োজন বিন্দুবাড়ী মাদরাসা মাঠ প্রাঙ্গনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. হুমায়ুন কবির সুমন কালিকাপুর আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বোরহান উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. রাকিবুল হাসান নির্বাচিত শাহরাস্তিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল শাহরাস্তিতে গভীর রাতে ছাত্রলীগ নেতা ইমরান মনিরের ফটোসেশান বিহীন ঈদ উপহার বিতরণ গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে ইফতার মাহফিল করলেন শরিফ খান
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার

২০ বছর ধরে মাকে নিয়ে রাস্তার ধারে জিনারুল

  • আলা উদ্দিন
  • Update Time : ১০:৫৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
  • ১৬৯২২ Time View

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিনারুল বিশ্বাস (৪০)। রাজশাহীর আন্তজেলার রোজা নামের গাড়িতে সহকারীর কাজ করতেন তিনি। ২০০১ সালে যুবক বয়সেই বসেছিলেন বিয়ের পিঁড়িতে। বেঁধেছিলেন সংসার। তবে বেশি দিন টেকেনি সেই সংসার।

২০০২ সালে একটি দুর্ঘটনায় আহত হন জিনারুল। এতে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় তাকে। তারপর কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত ক্ষত থেকে শরীরে শুরু হয় পচন। এতে পুরোপুরি শয্যাশায়ী হতে হয় তাকে। এরপর থেকে তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার ও একাকিত্ব। হয়ে পড়েন কর্মহীন। এ কারণে ২০০৩ সালে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। তাতে কী? অচল ও রোগাক্রান্ত সন্তানকে তো আর ফেলতে পারেননি জিনারুলের মা জহুরা বেওয়া (৭২)। সেই থেকে আজ অবধি সন্তানকে আগলে রেখেছেন তিনি।

Facebook Comments Box
About Author Information

Saiful Saiful

Popular Post

ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার

২০ বছর ধরে মাকে নিয়ে রাস্তার ধারে জিনারুল

Update Time : ১০:৫৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিনারুল বিশ্বাস (৪০)। রাজশাহীর আন্তজেলার রোজা নামের গাড়িতে সহকারীর কাজ করতেন তিনি। ২০০১ সালে যুবক বয়সেই বসেছিলেন বিয়ের পিঁড়িতে। বেঁধেছিলেন সংসার। তবে বেশি দিন টেকেনি সেই সংসার।

২০০২ সালে একটি দুর্ঘটনায় আহত হন জিনারুল। এতে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় তাকে। তারপর কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত ক্ষত থেকে শরীরে শুরু হয় পচন। এতে পুরোপুরি শয্যাশায়ী হতে হয় তাকে। এরপর থেকে তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার ও একাকিত্ব। হয়ে পড়েন কর্মহীন। এ কারণে ২০০৩ সালে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। তাতে কী? অচল ও রোগাক্রান্ত সন্তানকে তো আর ফেলতে পারেননি জিনারুলের মা জহুরা বেওয়া (৭২)। সেই থেকে আজ অবধি সন্তানকে আগলে রেখেছেন তিনি।

Facebook Comments Box